আগুনে শেষ সম্বলটুকু হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে কড়াইল বস্তির বাসিন্দারা

আগুনে শেষ সম্বলটুকু হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে কড়াইল বস্তির বাসিন্দারা

রাত পেরিয়ে সকাল হলেও রাজধানীর করাইল বস্তির এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর এখনো জীবনযুদ্ধ শেষ হয়নি। করাইল বস্তি বাসিন্দারদের। রাত পেরিয়ে সকাল হয়েছে। তবে এখনো তারা যুদ্ধ করে যাচ্ছেন। হাতরে ফিরছেন তাদের বেঁচে থাকার শেষ সম্বলটুকুকে।

ইতিমধ্যে আমরা ফায়ার সার্ভিসের বরাতে জানতে পেরেছি যে আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার ফায়ার সার্ভিসের যে দাবিটি সেই দাবিটি আদতে ততটা তার যে সত্যতা সে সত্যতাটা নিরূপণের জন্য আমরা যখন সরজমিনে এসেছি আমরা কিন্তু দেখতে পেয়েছি যে বিভিন্ন জায়গায় যে আগুনের যে বিভিন্ন ছোট ছোট স্ফুলিঙ্গ সেগুলো কিন্তু এখনো জ্বলছে।

একই সঙ্গে বিভিন্ন জায়গা থেকে ধোয়া বের হচ্ছে এবং এখনো কিছু কিছু জায়গায় ফায়ার সার্ভিস আগুন নেভানোর জন্য তাদের অগ্নিনির্বাপন যন্ত্রের সাহায্যে পানি দিয়ে যাচ্ছেন এবং একই সঙ্গে ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তারা বিভিন্ন জায়গায় আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় তারা বিভিন্ন জায়গায় পানির ব্যবহার করছেন। একই সঙ্গে আমরা এখানে দেখতে পেয়েছি সকাল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের লোকজন এখানে এসেছেন। তারাও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে এখানে যে বর্য ব্যবস্থাপনা রয়েছে এবং তাদের যে ধ্বংসস্তূপগুলো রয়েছে সেই ধ্বংসস্তূপগুলো সরিয়ে আবারো নতুন করে বাঁচার যে লড়াই সেই বাঁচার লড়াই শুরু করার জন্য তাদের সঙ্গে হাতে হাত মিলাচ্ছেন। তাদের সঙ্গে কাজ করছেন এবং আমরা একই সঙ্গে দেখতে পেয়েছি আরো কিছু স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো তারা এখানে ত্রাণ বিতরণ করার মত কার্যক্রমগুলো কিন্তু শুরু করেছেন।

একই সঙ্গে আমরা যখন দেখছিলাম গতকাল রাত থেকেই এখানে সবচেয়ে বড় যে ঝুঁকির বিষয়টি হয়ে দাঁড়িয়েছে সেই ঝুঁকির বিষয় হয়েছে যে ভবনগুলো আগুনে পুড়ে গেছে সেই আগুনে পুড়ে যাওয়া ভবনগুলো এখন যে অবস্থায় দাঁড়িয়ে রয়েছে সেটি আসলে অত্যন্ত বিপদজনক অবস্থান কারণ অধিকাংশ ভবনই আমরা দেখেছি যে টিনের টিনের ভবন এবং কিছু কিছু ভবন বিল্ডিং এর এবং এই টিনসেট যে ভবনগুলো রয়েছে সেই ভবনগুলো পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হলেওবিল্ডিং এর ভবনগুলো কিন্তু অনেক বেশি ভঙ্গুর হয়ে গেছে এবং এই বিল্ডিং এর ভবনগুলো ভঙ্গুর হয়ে যাওয়ার কারণে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা এই আশঙ্কা করছেন যে অগ্নিকাণ্ডের পর এই যে ভবনগুলো যে ভবনগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেই ভবনগুলো যেকোনো সময় ধষে পড়তে পারে এবং সেই ভবনগুলোর ভেতরে বসবাসের জন্য কতটুকু অবস্থান রয়েছে সেটি নিয়েও কিন্তু ফায়ার সার্ভিস সংখ্যা জানাচ্ছেন।

একই সঙ্গে এখানে স্থানীয় যারা রয়েছেন তারা এই বিষয়টি নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন যে এখনো বিভিন্ন জায়গায় যে ছোট ছোট আগুনের স্ফুলিঙ্গ গুলো রয়েছে সেই আগুনের স্ফুলিঙ্গ স্ফুলিঙ্গগুলো থেকে আবারো বড় একটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটবে কিনা সেটি নিয়ে কিন্তু এখানকার স্থানীয় সাধারণ বাসিন্দারা উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। একই সঙ্গে জানাতে চাই যে এই যে করাইল এই করাইলে 90 করেই জায়গা। এখানে কিন্তু কোন গ্যাসের সংযোগ নেই। যার কারণে প্রতিটি বাড়িতেই তাদের দৈনন্দিন রান্নাবান্নার কাজ সিলিন্ডারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়। এবং যার কারণে এখানে কিন্তু প্রায়ই দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটে।

এর আগে 2017 সালে একবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল এবং সেখানেও কিন্তু অনেক বাড়িঘর পুড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। আমরা এবারের অগ্নিকাণ্ডেও দেখেছি এবারের অগ্নিকাণ্ডে কোন প্রাণহানির ঘটনা না ঘটলেও কিছু হতাহতের ঘটনা ঘটেছে এবং অধিকাংশ বাড়িঘর পুরোপুরি পুড়ে গেছে। বসবাসের অনুপযুক্ত হয়ে গেছে। এবং সবচেয়ে বড় যেটি বিষয় সেটি হচ্ছে এই করাইলের এই এলাকাটিতে নিম্ন মধ্যবিত্ত এবং যারা সাধারণত দিন মজুর তারাই এখানে কিন্তু বসবাস করেন এবং সেক্ষেত্রে এই সমস্ত মানুষের শেষ সম্বলটুকু যখন এই আগুনে ধ্বংস হয়ে গিয়েছে তখন কিন্তু সেটি তাদের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের ভবিষ্যতের জন্য এবং তারা সেই সংখ্যা জানাচ্ছেন যে তারা ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন কিনা তারা সরকারের কাছে প্রত্যাশা করেন যে সরকার এমন পদক্ষেপ নেবেন যেই পদক্ষেপে এ ধরনের অগ্নিদুর্ঘটনার ঘটনা আর কখনোই ঘটবে না।

রাজধানীর করাইল বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রায়দেড় হাজার ঘরবাড়ি ভশীভূত বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সর্বস্ব হারিয়ে বস্তির আশপাশের সড়ক ও টিএনটি মাঠে আশ্রয় নিয়েছে বস্তিবাসী। অনেকে নামমাত্র কিছু মূল্যবান জিনিসপত্র নিতে পারলেও বেশিরভাগ বস্তিবাসী আগুনে সব হারিয়েছেন। ফায়ার সার্ভিস জানায় 19টি ইউনিট পাঁচ ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই গ্যাস সিলিন্ডার থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এদিকে আগুনের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুস। মঙ্গলবার সন্ধ্যার কাছাকাছি সময় ভয়াবহ আগুন লাগে মহাখালীর কড়াইল বস্তিতে। সন্ধ্যা 5:2 মিনিটে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণেকাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। গেল। >> কড়াইল বস্তিতে লাগা এযাবতকালের সবচেয়ে ভয়াবহ আগুনে ভশীভূত হয়েছে শত শত ঘরবাড়ি। আগুনের ভয়াবহতার মধ্যে কোন রকমে জীবন নিয়ে বস্তির বাইরে বেরিয়ে আসে মানুষ। আগুনের লেলিহান শিখা মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে বস্তি জুড়ে।

ভয়াবহ আগুন। আপনারা নিজ চোখে দেখতেছেন এখনো জ্বলতেই আছে। আমি অজ্ঞান হয়ে গেছি। আমার পোলারা কোন মত নিয়ে আইছি। মানুষের পাড়া খাইয়ে মরে গেছি। খাট মাছ সব ফুলে গেছে আর কোন কিছু ভাই করতে পারছি না। >> ফায়ার ফাইটাররা আগুন নির্দিষ্ট এলাকায় আটকে রাখার চেষ্টা করেন। তবে ফায়ার ফাইটারদের সেই চেষ্টা আগুনের তীব্রতার কাছে বারবার ব্যর্থ হয়। বলা যায় আগুন কোনরকম বাধা ছাড়াই পুড়িয়ে ছাই করেছে বস্তিবাসীর সহায় সম্বল। >> রুম পড়া ভাঙ্গি ফেলাইছে। আর আমরা শখ বিছনা যা আছে তোমাদের শখ খেয়ে আছি। খালি শুধু ব্যাগটা নিয়ে আমরা চলেছি জীবন বাঁচার জন্য। আবার আগুনের তীব্রতা কারণ গ্যাস সিলিন্ডারের কারণে প্রত্যেকটা ঘরে ঘরে গ্যাস সিলিন্ডার ফায়ার সার্ভিস আসছে কিন্তু চিপা দিয়ে ঢুকতে পারে না ওই আসার তো কোন লাভ নাই লাভ আছে >>

প্রতিটা ঘর মনে করেন তিন তেলা চার তলা আগুনের মনে করেন তীব্রতা এই কারণে ছড়াই গেছে >> সর্বস্ব হারিয়ে সড়ক ও মাঠে আশ্রয় নিয়েছে বস্তিবাসী তিলে তিলে জমানো অর্থ ও সামগ্রী হারিয়ে অনেকে বিলাপ করছে >> আমার অনেক ক্ষতি হয়েছে দুই আড়াই লাখ টাকার জিনিস গর কইলে কি হব কইলে কিচ্ছু হইতো না আমি অনেক খালি এই বন্ধনের বর্তডা আমার আর কিছুই নাই। >> আমার পিন্ধানো কাপড়টাই আছে আর কিছুই নাই রে বাবা সব শেষ। খালি ছেড়াইয়া লইয়া বাড়াইছিলাম। >> ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ভেতরে ঢুকতে না পারায় শুরুতে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হয়। পানি সংকটেও অল্প সময়ের জন্য আগুন নেভানোর কাজও বন্ধ থাকে। এসময় আগুন আরো তীব্র গতিতে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর বস্তির ভেতরের খালে পাম্প বসিয়ে দীর্ঘ পাইপ জোড়া লাগিয়ে পানি দেয়া শুরু হলে আগুন একটা গণ্ডির মধ্যে রাখতে সমর্থ হয়। আগুনের উৎসের কাছে পৌঁছাতে না পারার কারণেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে বলে জানায় ফায়ার সার্ভিস।

 >> আমরা যখন পৌঁছাই তখন কিন্তু আগুনটা আসলে ডেভেলপ স্টেজে চলে যায়। যার কারণে আগুনটা একটু সময় লেগেছে আমাদের। আমরা 10 টা 35 মিনিটে আমরা এটাকে নিয়ন্ত্রণ ঘোষণা দেই যে আনুমানিক 1500 ঘরবাড়ি এখানে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। >> প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। মহাখালীর কড়াইল বস্তিতে 90 একর জায়গার উপর 100 হাজারেরও বেশি ঘর রয়েছে। এই গভীর রাতে তারা কোথায় আশ্রয় নিয়েছেন? >> আশ্রয় নিয়েছেন এবং এখনো আমরা দেখাতে চাই। কিছুক্ষণ আগেই কিন্তু বেশ কয়েকটি মসজিদের মাইক থেকে মাইকিং করা হচ্ছিল এবং তাদেরকে বারবারই আশ্রয় ক্রেন্দরে যাওয়ার জন্য বলা হচ্ছিল। মূলত আশপাশের কয়েকটি স্কুলগুলোতেই কিন্তু তাদের জন্য আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেই সাথে কিছুক্ষণ আগেই কিন্তু এই যে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের যিনি প্রশাসক তিনি কিন্তু এসেছিলেন এবং এই যে ঘটনাস্থল অর্থাৎ কড়াইল ভর্তির যে সংসদ পরিণত হয়েছে সেটি কিন্তু তিনি কিছুক্ষণ আগেই পর্যবেক্ষণ করে গেছেন এবং পাশাপাশি তিনি আমাদেরকে নিশ্চিত করেছেন যে প্রাথমিকভাবে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের এই মুহূর্তে প্রয়োজন হচ্ছে খাবার পানি এবং কিছু শুকন খাবার সেই জিনিসগুলো যেহেতু যদি ব্যবস্থা করা যায় তার জন্য কিন্তু বেশ কয়েকটি পয়েন্ট বসানো হয়েছে যেখানে আসলে বিশুদ্ধ খাবার পানি এবং খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে শুকন খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে কয়েকটি স্কুলের কথা বলছিলাম এবং গুলশান পার্ক কয়েকটি জায়গায় কিন্তু তাদের প্রথমভাবে আশ্রয় দেয়ার জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে কয়েকটি বড় মাঠেও তাদের থাকার জায়গা করা হয়েছে এবং যেমনটি বলছিলাম যে এখানে কিন্তু তারা তাদের খুব বেশি যে সরঞ্জাম আসব সেগুলো তারা সহ তাদের থাকার জন্য যে ননতম যে কাপড় বস কিন্তু আসলে তাদের কাছে তাই তাই ডিএনসি প্রশাসক কিন্তু আমাদের কাছে অনুরোধ করেছেন যে যারা শুধুমাত্র এখানে ত্রাণ কিংবা খাবার নিয়ে আসছেন তার পাশাপাশি কিন্তু কাপড় দিয়ে শীতের রাত তারা নিশ্চিতেও বেশ কবি বলতে হচ্ছে তাদের এই সৃষ্টি তাদেরকে কাপড় সহায়তা করার জন্য তিনি আহ্বান করেছেন। পাশাপাশি আমরা দেখতে পাচ্ছি যে এখনো কিন্তু যে আগুনের যে ধ্বংসস্তূপে যেজায়গাটি সেটি কিন্তু এখনো নিরাপদ না। সেজন্য কিন্তু তারা বারবারই অনুরোধ করছেন সেই জায়গাটিতে যেন সাধারণ মানুষ সহ কেউ যেন প্রবেশ করতে না পারে এবং তার পরপরই কিন্তু সকাল হলেই কিন্তু আরো গভীরভাবে উদ্ধার তৎপরতা চালাবে ফায়ার সার্ভিস এমনটিও কিন্তু জানিয়েছেন হৃদয় আপনাকে

ধন্যবাদ করাইল বস্তির আগুনে অনেকেই হারিয়েছেন নিজের শেষ সম্বলটুকু পুড়ে যাওয়ার আগে সম্পদ বাঁচানোর শেষ চেষ্টা করতে দেখা যায় এলাকাবাসীকে উদ্ধার কাজেও যোগ দেন তারা বস্তিবাসী হিসেবে আর কতদিন বঞ্ছনার শিকার হতে হবে জিজ্ঞাসা তাদের >> আমি বাসাতে আগুন যখন লাগছে ধুরাধুরি বাজে তা আমি মার বাসায় গিয়া ওগরে বাইর করছি আমার মার অসুস্থ আমার মার ক্যান্সার হইছে ওগোরে বাইর করে আমি বাজারের মোড়ে দাড়া করাই দিয়া আমার মারে আনতে গেছি আর ঘর তালা দিতে গেছি এপা ওগোরে আর পাই নাই >> আগুনে পুড়ে গেছে ঘর এদিক ওদিক ছুটেছুটিতে মানুষের ভিড়ে তিন সন্তানকে হারিয়ে এভাবেই খুঁজে ফিরছেন মা >> মিরাজ মৃত মেয়ে তোমরা তিন ভাই বোন তোমার মার নাম আসামনি >> কড়াইল বস্তির আগুনে এটি ছিল খুবই পরিচিত দৃশ্য। একদিকে আগুনের লেলিহান শিখায় পুড়ছে ঘর শেষ সম্বল। অন্যদিকে কেউ চেষ্টা করছেন পরিবারের মানুষকে বাঁচাতে। মানুষ বাঁচানো গেলে খুঁজছেন সম্পদ। যদি কিছু উদ্ধার করা যায়। অনেকে সেটুকুও পারেননি। ঘর থেকে বের হয়ে এসেছেন এক কাপড়ে। >> আমি ঘরে ফোনটা নিয়ে বাইরে গেছি। কিছু তালা বাইর। ভুল হয়ে গেছে। এই যা আছে এই নিয়ে বাড়াইছি আর কিছু নাই >> যেগুলা নিতে পারতেছে মনে করেন এগুলাই আছে আর যেগুলা ছাইড়া দিছে এগুলা বাদ পরের জিনিসপতি বার করতে পারি নাই তো কাছেই তো আগুন >> ঘর থেকে মূল্যবান আসবাব বের করে আশ্রয় নিয়েছেন আশপাশের খোলা জায়গায় টিভি ফ্রিজ আলমিরা থেকে শুরু করে ঘটিবাটি সবকিছুই আছে সেই তালিকায় সন্তান পরিবার নিয়ে এখান থেকেই নতুন করে আবার শুরু করতে হবে তাদের >> আমরা খালি যেটার দরকারি জিনিস ওগুলা নিয়েছি যা আছে মালসামানা রুমে আছে আল্লাহর দরবারে ছাইড়া দিয়ে চইলাই আসছে। >> আরো দুইবার পড়ছি তখন সবই পইড়া গেছি এবার পারছি। এবার নিয়ে আসছি। তা আইসা দেখি আমার বইনে আমার বাচ্চা নিয়ে ওইদিকে গেছে গা। পরে আমার এক চাচতো ভাই আইছে। আওয়ার পরে আমার ওই স্বাস্থ্য ভাইরে নিয়া আমি এইফ্রিজটা খালি নামাইছি আর কিচ্ছু নামাই না। >> ফায়ার সার্ভিসের সাথে উদ্ধার কাজে যোগ দেয় এলাকাবাসীও। কাজ করে হাতে হাত রেখে। যেন তারা আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল এমন একটি দিনের জন্য। যেন তাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্্য অঙ্গে পরিণত হয়েছে এমন দুর্যোগ। বস্তি এলাকা বলে অবহেলার শিকার হন আছে এমন অভিযোগও >> সরকারি ভবনে আগুন লাগলে কেন এত বড় বড় হেলিকপ্টার আসে প্যারাসুট আছে তাহলে আমাদের কি এটা কি আমরা মানুষ মনে হইলো না আমাদেরকে আমরা গরীব বাসী দেইখা >> এদেশে রোহিঙ্গারা এত নিরাপত্তা বলের মধ্যে থাকে আমরা এদেশে জন্ম নিয়ন এদেশের সুনাগরিক হয়েও আমরা এসব সুবিধা পাই না >> সিলেন্ডারে বাদ দিয়ে অন্য কোন পদ্ধতি অবলম্বন করা হয় তাহলে এলাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণ খুব সহজে করা যাবে >>

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *